কৈশোরকালীন সময়ে শারীরিক মিলনের প্রতি পুরুষের আগ্রহ এবং আকর্ষণ জন্মায় বেশি। ১৭থেকে ২৫ বছর সময়কালে আবার পুরুষ কিংবা নারী উভয়েই শারীরিক মিলনের প্রতি সবচেয়ে বেশি আগ্রহ থাকে। এই সময়ের মধ্যে বয়ঃসন্ধি পুর্ণ হয় এবং নারী পুরুষের গোপ*নাঙ্গ সুসংগঠিত হয়।এই সময়কার নারী পুরুষের দৈহিক পরিবর্তন বা মিলনের ইচ্ছার ব্যবহারিক পরিবর্তনগুলো হলো–
মেয়েদের মা*সিক চক্র শুরু হওয়া ।
ছেলেদের স্বপ্ন*দোষ হতে থাকা ।
মেয়েদের গোপ*নাঙ্গর ঠোঁট বড় হতে থাকা ।
মেয়েদের কিটো*রিস আরো দৃঢ় হয় ।
ছেলেদের অন্ড*কোষ এবং গোপ*নাঙ্গ আরো দৃঢ় হয় ।
মেয়েদের বডির আকার বড় হয় ।
উভয়ের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় ।
উভয়েরই গলার স্বরে পরিবর্তন হয় ।
উভয়েরই শরীরের আকার পরির্বর্তিত হয় ইত্যাদি ।
হরমোন নিঃসরণ জনিত কারণে এই সময়ে ছেলে মেয়ে উভয়েরই মিলনের ইচ্ছা দেখা দিয়ে থাকে। প্রাথমিক এবং দ্বিতীয় স্তরের পরিবর্তনের পর একটি ছেলে পুরুষ এবং একটি মেয়ে নারীতে পরিপূর্ণতা লাভ করে
মেয়েদের মা*সিক চক্র শুরু হওয়া ।
ছেলেদের স্বপ্ন*দোষ হতে থাকা ।
মেয়েদের গোপ*নাঙ্গর ঠোঁট বড় হতে থাকা ।
মেয়েদের কিটো*রিস আরো দৃঢ় হয় ।
ছেলেদের অন্ড*কোষ এবং গোপ*নাঙ্গ আরো দৃঢ় হয় ।
মেয়েদের বডির আকার বড় হয় ।
উভয়ের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় ।
উভয়েরই গলার স্বরে পরিবর্তন হয় ।
উভয়েরই শরীরের আকার পরির্বর্তিত হয় ইত্যাদি ।
হরমোন নিঃসরণ জনিত কারণে এই সময়ে ছেলে মেয়ে উভয়েরই মিলনের ইচ্ছা দেখা দিয়ে থাকে। প্রাথমিক এবং দ্বিতীয় স্তরের পরিবর্তনের পর একটি ছেলে পুরুষ এবং একটি মেয়ে নারীতে পরিপূর্ণতা লাভ করে
প্রাথমিক পরিবর্তন–
গলার স্বরে পরিবর্তন ।
বগলে চুল জন্মানো ।
নাভীর নিচে চুল জন্মানো ।
মাংসপেশি দৃঢ় হওয়া ।
ছেলেদের বুকে লোম জন্মানো ।
মাথার চুল ঘন হওয়া ।
স্তনের আকৃতি সুগঠিত হওয়া ।
গলার স্বরে পরিবর্তন ।
বগলে চুল জন্মানো ।
নাভীর নিচে চুল জন্মানো ।
মাংসপেশি দৃঢ় হওয়া ।
ছেলেদের বুকে লোম জন্মানো ।
মাথার চুল ঘন হওয়া ।
স্তনের আকৃতি সুগঠিত হওয়া ।
দ্বিতীয় স্তরের পরিবর্তন–
গোপ*নাঙ্গ দৃঢ় হওয়া ।
মিলনের ইচ্ছার সৃষ্টি ।
শারীরিক মিলনের প্রতি তীব্র আকর্ষণ ।
বডির স্ফীতি ।
জরা*য়ুর সুসংগঠন ।
গোপ*নাঙ্গ দৃঢ় হওয়া ।
মিলনের ইচ্ছার সৃষ্টি ।
শারীরিক মিলনের প্রতি তীব্র আকর্ষণ ।
বডির স্ফীতি ।
জরা*য়ুর সুসংগঠন ।
0 Comments